স্মরণাতীতকালের মধ্যে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের মান এখন সবচেয়ে খারাপ। দলটির প্রধান ব্যাটিং স্তম্ভ বাবর আজমও রান খরায় ভুগছেন। তার ব্যাটে রান নেই। এছাড়া অধিনায়ক রিজওয়ানের ব্যাটও আগের মত হাসছে না।
Advertisement
এর বাইরে পাকিস্তানের ব্যাটিং অর্ডারে ভাল পারফরমার বলা চলে সালমান আলি আগাকে (আগা সালমান)। মিডল অর্ডারের এ তরুণ স্বচ্ছন্দে খেলছেন। অফ ও অনসাইডে তার ব্যাট সমান সচল।
বাবর, রিজওয়ান ও আগা সালমান- তিনজনই ডানহাতি। তাদের ডানহাতি অফব্রেক দিয়ে ঘায়েল করা কঠিন। আর একমাত্র অফস্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজও তেমন ভাল বোলিং করতে পারছেন না। যে মিরাজ একপ্রান্তে প্রতিপক্ষের রান তোলারগতি কমিয়ে রাখার পাশাপাশি ভাইটাল ব্রেুক থ্রু উপহার দিতেন, সেই অফস্পিনার এখন নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন।
ভারত ও নিউজিল্যান্ডের সাথে মিরাজের বলে তেমন ধার চোখে পড়েনি। সাবেক নির্বাচক ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন মিরাজকে নিয়ে বেশ চিন্তিত।
Advertisement
সুমনের ব্যাখ্যা, ‘আমি মিরাজকে নিয়ে চিন্তিত। মিরাজ আগের মত ব্রেক থ্রু দিতে পারছে না। মিরাজের বোলিং ফর্ম আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে। মিরাজ ভাল বোলিং করে উইকেট নিতে পারলে ভাল হতো। মিরাজের ব্রেক থ্রুটা ইম্পরটেন্ট।’
মিরাজ ফর্মে নেই। পাকিস্তানের প্রধান প্রধান ব্যাটার বিশেষ করে বাবর আজম, রেজওয়ান ও আগা সালমান সবাই ডান হাতি। তাদের বিপক্ষে একজন বাঁ-হাতি স্পিনার মানে নাসুম আহমেদ কি বিবেচনায় আসতে পারেন? নাসুম কি বেশি কার্যকর হতেন না?
হাবিবুল বাশার তা মনে করেন না। তার ব্যাখ্যা, আমাদের রিশাদ আছে। ডানহাতি ব্যাটারদের জন্য লেফট আর্ম স্পিনার আর লেগস্পিনার একই ধাঁচের বোলার। তাই বাশার লেগি রিশাদের পক্ষে।
তার ব্যাখ্যা, ‘রিশাদকে দলে রেখে নাসুমকে আনতে হলে একজন ফাস্ট বোলার কমাতে হবে। আমার মনে হয় না সেটা ঠিক হবে। তিন স্পিনার খেলাতে হলে উইকেটের সহায়তা দরকার। আমার মনে হয় না পাকিস্তান আমাদের সাথে স্পিনিং ট্র্যাক দেবে। তারা হয়ত ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি উইকেট না হয় ফাস্ট বোলারদের সহায়ক উইকেট বানাবে। সেক্ষেত্রে বোলিংটা ইম্পরটেন্ট হবে।’
Advertisement
মিরাজকে খেলাতেই হবে। সুমনের শেষ কথা, ‘পাকিস্তানের সাথে ম্যাচটি রাওয়ালপিন্ডিতে না হলে দুবাইতে হলে এক পেসার কমিয়ে তিন স্পিনার খেলানো যেত। এটা দুবাইয়ের পিচে হলে আপনি বলতে পারতেন পেসার একজন কমিয়ে তিন স্পিনার নিয়ে নামা যেত। দুবাইয়ের উইকেটে ঠিক ছিল। তখন নাসুমকে বিবেচনায় আনা যেত। কিন্তু রাওয়ালপিন্ডিতে না।’
এআরবি/আইএইচএস