একদিকে ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তোলা, অন্যদিকে গুপ্ত রাজনীতি করা নিয়ে মুখ খুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের।
Advertisement
এ নিয়ে বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন আব্দুল কাদের। তার স্ট্যাটাসটি হুবহু নিচে দেওয়া হলো।
‘যারা ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ চায়, অনলাইন-অফলাইনে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের জন্য জোরেশোরে প্রচার-প্রচারণা করে, কর্মসূচি পালন করে; কিন্তু শিবিরের কমিটি প্রকাশ করার পরে দেখি, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঐ লোকগুলা সভাপতি-সেক্রেটারি হিসেবে আবির্ভূত হয়! কি এক লীলাখেলা! শিবিরের হল কমিটি প্রকাশ করলে হয়তো আরো ভয়াবহ চিত্র দেখতে হবে।
এই সংস্কৃতি থেকে শিবিরকে বের হয়ে আসতে হবে। এখন তো অন্তত পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি হইছে। এখনও বের না হইলে আর কখন? ছাত্রদের জন্য নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি করতে হলে অবশ্যই প্রকাশ্যে এসে রাজনীতিটা করতে হবে।
Advertisement
গুপ্তভাবে নিজেরা রাজনীতি করবেন, আর নিষিদ্ধের দাবী তুলে অন্যদেরকে রাজনীতি করতে দিবেন না, সেটা কীভাবে হয়? আর মূলত এই কারণে-ই দ্বন্দ্ব-সংঘাত বাঁধে।
ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ নাই। রাজনীতি করা না করা ব্যক্তির সাংবিধানিক অধিকার। আবার এখানে জোর-জবরদস্তি করারও সুযোগ নাই। ছাত্র রাজনীতি যেমন আবশ্যকীয়, তেমনি ছাত্র রাজনীতির কাঠামোগত পরিবর্তনও অবশ্যম্ভাবী।’
গত বছরের জুলাই-আগস্টে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বারবার ইন্টারনেট বন্ধ থাকার কারণে যখন যোগাযোগ সীমিত হয়ে পড়েছিল, তখন সাংবাদিকদের কাছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচির তথ্য জানিয়ে আলোচনায় আসেন আব্দুল কাদের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের এই শিক্ষার্থী গঠিত হতে যাওয়া নতুন ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে পারেন বলে আলোচনা আছে।
এমএমএআর/জিকেএস
Advertisement