পবিত্র রমজান মাসেও গাজায় ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। অবরুদ্ধ এই উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে দখলদার বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ১০০ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে। এর মধ্যে বহু শিশুও রয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও অনেকেই। গত ১৯ জানুয়ারি ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে এটাই ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় হামলা। খবর আল জাজিরার।
Advertisement
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। সে সময় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হয়। এছাড়া দুই শতাধিক মানুষকে জিম্মি হিসেবে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ চালায় ইসরায়েল।
অভিযানের নামে গাজায় রীতিমত ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানে এমন কোনো স্থান বাকি নেই যেখানে ইসরায়েল হামলা চালায়নি। অবরুদ্ধ এই উপত্যকার স্কুল, হাসপাতাল, মসজিদ, আবাসিক ভবনসহ বেশির ভাগ স্থাপনাই ইসরায়েলের হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪৮ হাজার ৫৭২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ১ লাখ ১২ হাজার ৩২ জন।
Advertisement
তবে গাজার গভর্নমেন্ট মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, সেখানে ৬১ হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে নিখোঁজ হওয়া হাজার হাজার ফিলিস্তিনি আর বেঁচে নেই।
আরও পড়ুন: ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ৫৩, প্রতিশোধের হুমকি হুথিদের যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫০ কোটি টাকার ড্রোন ভূপাতিত করলো ইয়েমেনের হুথিরা লোহিত সাগরে পশ্চিমাদের ‘ঘুম হারাম’ করা কারা এই হুথি?এদিকে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, হামাসের শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলি প্রচারমাধ্যম কানের এক প্রতিবেদন অনুসারে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর অভিযোগ হামাসের যোদ্ধারা পুনরায় হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
টিটিএন
Advertisement