জনমত গঠন, তথ্য প্রদান এবং রাষ্ট্রীয় কিংবা সামাজিক ক্ষমতাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গণমাধ্যম। মুদ্রিত সংবাদপত্র থেকে শুরু করে টেলিভিশন সম্প্রচার এমনকি ডিজিটাল সংবাদ ওয়েবসাইট এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পর্যন্ত বিস্তৃত এখনকার যুগের এই প্লাটফর্ম ।
Advertisement
ইন্টারনেটের উত্থানের মধ্য দিয়ে এসেছে সংবাদ মাধ্যমে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন। সোশ্যাল মিডিয়া যেমন টুইটার (এক্স), ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক সহ অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলি লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে সংবাদের প্রাথমিক উৎস হয়ে উঠেছে, এমনকি প্রায়শই গতি এবং নাগালের দিক থেকে ঐতিহ্যবাহী সংবাদমাধ্যমগুলোকে পর্যন্ত ছাড়িয়ে গেছে এই মাধ্যমগুলো। যেহেতু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যক্তির আবেগ-উচ্ছ্বাস কিংবা তথ্য প্রদানের জায়গা, তাই অনেকেই এ জায়গাটাকে ব্যবহার করছে যাচ্ছেতাই ভাবে। কোনোপ্রকার বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই যে কেউ তার মন্তব্য ছুঁড়ে দিচ্ছে। আর তাই ডিজিটাল মাধ্যম হয়ে গেছে যেন এখন নদীর ঘোলা পানির স্রোত, যেখান দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে কাদা, শেওলা কিংবা জীবজন্তুর পঁচা লাশ।
অর্থাৎ ডিজিটাল মিডিয়ায় ভেসে আসছে অসংখ্য অপতথ্য । অথচ সত্যি কথা হলো, নদীর জল যে স্বচ্ছ। বানের পানিই থাকে মূলত কাদামাখা ঘোলা । বানের পানির মতই এ মাধ্যমটির তথ্যনির্ভরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে প্রতিনিয়ত, ভুয়া খবর এবং পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদনগুলোর কারণে দেখা দিয়েছে তথ্যের চ্যালেঞ্জ। আর সেজন্যই পাঠক কিংবা গবেষক কিংবা দর্শক কিংবা শ্রোতা সবাইকেই সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হচ্ছে এই মিডিয়াতে এবং যাচাই-বাছাই'র মধ্যে দিয়েই ধারণ কিংবা গ্রহণ করতে হচ্ছে এসব তথ্য, অর্থাৎ ছেঁকে ছেঁকেই আমাদের বেছে নিতে হচ্ছে তথ্যের স্বচ্ছ জল।
ব্রিটেনের বাংলা টিভি চ্যানেলগুলোর যেহেতু সোর্স সীমিত কিংবা কমিউনিটি বিষয়ক খবরাখবরের প্লট সীমাবদ্ধ কিংবা তাদের সংবাদকর্মীদের স্বল্পতা, কিংবা দেশবিদেশের সর্বশেষ নিউজ প্রচার না করতে পারাসহ ভিন্ন ভিন্ন কারণে দর্শক আগের মত আর বাংলা টিভি চ্যানেলগুলো দেখছে না। তথ্যপ্রবাহে ইন্টারনেট সংশ্লিষ্টতা থাকায় বিভিন্ন মাধ্যম যুক্তরাষ্ট্রের বাংলা মিডিয়ার মত আইপি টিভির ধারণাটাও মানুষের মাঝে জনপ্রিয় হচ্ছে। বাংলাদেশের সকল টিভি চ্যানেলগুলোর সর্বশেষ নিউজ কিংবা বিনোদন অনুষ্ঠানগুলো দেখার সহজলভ্য সুযোগ থাকায় তাই অভিভাসীরা বাংলাদেশি টিভি নির্ভর হয়ে যাচ্ছে।
Advertisement
ডিজিটাল মিডিয়ার প্রভাব বলি আর আগ্রাসন বলি, এ মিডিয়ার কারণেই মুদ্রণ সংবাদপত্র হারাচ্ছে পুরোনো জৌলুস। পাঠক এখন আর ২৪ ঘণ্টার জন্য অপেক্ষায় থাকতে চায় না। খবরের পেছনের খবরের জন্য যদিও অপেক্ষায় থাকে পাঠক, কিন্তু পৃথিবীর ঘটমান বর্তমানকে তারা পেয়ে যাচ্ছে এখন হাতের মুঠোয়। নিমিষেই পৌঁছে যাচ্ছে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন কিংবা গাজা কিংবা বাংলাদেশের খবর পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছেও।গণমাধ্যমকে মানুষ নির্ভর করতো, এখনও এ নির্ভরতা খোঁজে মানুষ । গণমাধ্যমের কথা এলেই একটা ব্যাপার আসে- এ মাধ্যম কতটুকু স্বাধীন, আবার অন্য অর্থে কতটুকু পক্ষপাতদুষ্ট কিংবা শাসকশ্রেণির রক্তচক্ষুর কাছে কীভাবে নতজানু। গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠ কিংবা নিরপেক্ষ মাধ্যম আখ্যা দিলেও এ মাধ্যমটির সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই কোনো না কোনোভাবেই কারো কাছে যেন বাঁধা।
পশ্চিমা দেশগুলো তাদের আন্তর্জাতিক আগ্রাসনকে পাকাপোক্ত করতে এমনকি মিডিয়াগুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়, ঠিক তেমনি এশিয়ার দেশে দেশে মিডিয়াগুলো কোনো না কোনোভাবে নতজানু হয়ে যায় শাসক কিংবা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর কাছে। চীন, নর্থ কোরিয়া কিংবা রাশিয়ার মত দেশগুলো শুধুই নয় এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের একনায়কতান্ত্রিক দেশগুলোর গণমাধ্যমগুলোও রাষ্ট্র দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত।
আমরা যদি বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোর দিকে তাকাই, সে অবশ্য ভিন্ন চিত্র। এ মাধ্যমগুলো রাষ্ট্র সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে না। তবে দেখা যায় সরকার কিংবা প্রশাসনের পায়ে পায়ে লেগে থাকা গণমাধ্যমগুলো ক্ষমতার পালাবদলে যেন 'ইউটার্ন' দেয় । কেনো দেয়, কীভাবে পাল্টায় তাদের নীতি তা নিয়ে কোনো গবেষণার অবশ্য প্রয়োজন নেই। কারণ ইতেমধ্যে উল্লেখ করেছি, পৃথিবীর অনেক দেশেই এরকম হতে দেখি আমরা।
যদিও নরওয়ে ফিনল্যান্ড কানাডার মত দেশগুলোর সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে খুব কম প্রশ্নই শোনা যায়। অনেক সংবাদ সংস্থারই সচেতনভাবে বা অবচেতনভাবে রাজনৈতিক ঝোঁক থাকে। রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গি, প্রগতিশীল কিংবা উদার, বাম কিংবা উগ্র ডান এদের আমরা চিনে নিতে পারি এবং এদের ব্যাপারে সচেতন কিংবা সতর্কও থাকা যায় কিন্তু ক্ষমতার পাশাপাশি থাকা গণমাধ্যমগুলো শুধুই বাণিজ্য খোঁজে এবং বাণিজ্যের জন্য এদের নীতিবোধের পরিবর্তন হয় বড় দ্রুত।
Advertisement
সারা পৃথিবীর সংবাদমাধ্যমই এখন ডিজিটালাইজড। অনলাইন গণমাধ্যমের উপর পাঠক কিংবা দর্শক ক্রমশই নির্ভরশীল হয়ে উঠছে আরও বেশি করে। তাই প্রায় প্রত্যেকটা প্রিন্ট ভার্সনে (পত্রিকা) এখন মুহূর্তের খবরগুলোও দিচ্ছে তাদের অনলাইন পত্রিকার সর্বশেষ নিউজে। মুদ্রণ গণমাধ্যমে যেহেতু পাঠক সংশ্লিষ্টতা হ্রাস পাচ্ছে, সেহতেু পৃথিবীর সকল সংবাদ মাধ্যমই জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক শেষ সংবাদটি প্রচারে আরও দৃঢ়তা দেখাচ্ছে।
ব্রিটেনের হাতেগোনা তিন-চারটি ট্যাবলয়েড পত্রিকা ছাড়া অন্যান্যগুলো সাবসক্রিপশনে নিয়ে গেছে কর্তৃপক্ষ। অর্থাৎ নির্দিষ্ট পরিমাণ ডোনেশন কিংবা নির্ধারিত অর্থ দিয়ে এগুলো পড়তে হয়। যেহেতু ব্রিটেন কিংবা পশ্চিমা বিশ্বে এসকল পত্রিকাগুলো লাখ লাখ পাঠকের প্রতিদিনের অবশ্য প্রয়োজনীয় হয়ে গেছে তাদের জীবনাচারে, সেজন্য এগুলোর অনলাইন গ্রাহকসংখ্যাও উল্লেখ করার মত। এ হিসেবে বাংলাদেশের গণমাধ্যম এ পর্যায়ে পৌঁছতে পারে নি। সত্যি বলতে কি, বাংলাদেশের কোনো পত্রিকাই এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে অনলাইনে সাবস্ক্রিপশনে যেতে পারেনি।
এরকম অবস্থায় ব্রিটেনের বাংলা গণমাধ্যম বিশেষত পত্রিকা প্রকাশনা বাণিজ্যটা এখন নিভু নিভু করছে। অথচ কমিউনিটিতে বাংলা গণমাধ্যমে একসময় দাপট ছিল এই প্রিন্ট মিডিয়ার। এ শতাব্দীর প্রথম দশকেও তিন-চারটি সাপ্তাহিক পত্রিকা পড়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকতো বাংলা ভাষাভাষী পাঠকরা। সাপ্তাহিক সুরমা-জনমত কিংবা পত্রিকা ছিল যেন মানুষের অবশ্য পাঠ্য সংবাদ মাধ্যম। তারপর বাংলা টিভি চ্যানেলগুলো দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হতে থাকে, পত্রিকাগুলোর প্রচার কিছুটা ঢিলে হয়ে যায়। কমিউনিটি নির্ভর বিজ্ঞাপনগুলো আগে পত্রিকার পাতা ভর্তি থাকলেও তা কমে যায়। তারপরও পত্রিকা টিকিয়ে রাখার মত বাণিজ্যটা মোটামুটি মন্দ ছিল না।
কিন্তু ইন্টারনেট জনপ্রিয় এবং সহজলভ্য হতে থাকলে তা-ও যেন লাটে উঠল। বাংলাদেশের প্রতিদিনের সংবাদ মানুষ পড়তে থাকলো। সাপ্তাহিক প্রকাশনার প্রতি স্বাভাবিকভাবেই মানুষের এখন আর কোনো টান নেই। গত এক এক যুগেরও বেশি সময় থেকে পত্রিকাগুলোর আর পাঠকপ্রিয়তা নেই বললেই চলে। কিন্তু তারপরও তিন-চারটি পত্রিকা এখনও নিয়মিত বেরুচ্ছে। তবে তাদের সার্কুলেশনের ব্যাপারটা অবশ্য ভিন্ন। এখন পত্রিকাগুলো কেউ আর কিনে পড়ে না। লন্ডনের কয়েকটা মাত্র গ্রোসারি দোকানে এগুলো এখন ফ্রি-তেই পায় মানুষ। আগে লন্ডনের বাইরও শত শত পত্রিকা কিনে পড়তো পাঠক, এখন আর এগুলো বাইরের শহরের কেউ খোঁজও করে না। তবুও পত্রিকাগুলো টিকে আছে, যেন বয়সের ভারে ন্যুব্জ হয়ে গেছে। আশার কথা হল, এ পত্রিকাগুলো খুললে দুএকটা বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে, যেগুলো জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা কিংবা স্থানীয় প্রশাসন সম্পর্কিত। পত্রিকাগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে এ সহযোগিতাটা তাদের বন্ধুর যাত্রাপথকে কিছুটা হলেও গতি দিয়ে যাচ্ছে।
ব্রিটেনের বাংলা প্রিন্ট মিডিয়ার এ রকম ক্ষয়িষ্ণু সময়ে ব্রিটেন থেকে প্রচার হওয়া কমিউনিটির টিভি মিডিয়াই-বা কতটুকু প্রভাব ফেলছে, এ নিয়েও আছে কথা। জনপ্রিয়তার দিক বিবেচনায় এ মিডিয়া দর্শক টানছে কতটুকু তা প্রশ্নসাপেক্ষ। প্রায় প্রত্যেকটা চ্যানেলই দেশের অন্তত পাঁচ-ছয় ঘণ্টার পুরোনো খবরগুলো প্রচার করে। এবং এদের নিজস্ব প্রডাকশন বলতে কমিউনিটির খবরগুলো।
বিভিন্ন শহরের পাঠানো সংগঠনের নিউজগুলোর জনপ্রিয়তা আছে। এবং সেজন্য কোনো কোনো টিভি চ্যানেল প্রতিদিনই কমিউনিটির নিউজ প্রচার করে। ইসলামী কথাবার্তা নিয়ে কিছু টক শো'র পাশাপাশি সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে কথা-বার্তাও হয়। বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা রিপোর্টাররা স্বাভাবিকভাবেই তাদের নিউজ পাঠানোর জন্য কোনো বেতন পান না।
উল্টো মজার ব্যাপার হলো, একটা দুটো মিডিয়ার প্রতিনিধিদের বলে রাখা হয়েছে, কমিউনিটি নিউজ প্রচার হতে হলে পঞ্চাশ পাউন্ড করে পে করতে হবে। স্বাভাবিকভাবে এতেও উঠে আসে টিভিগুলোর বিশ্বস্ততা কিংবা তথ্যনির্ভরতার চিত্র। তবে চ্যানেলগুলোও যে কমিউনিটির জন্য কিছু করছে না, তা বলা যাবে না। কারণ টিভি চ্যানেলগুলোকে একটা অংশ পরিশোধ করে প্রায়ই এখানে চলে ফান্ড রেইজিং(আধুনিক শব্দ)। দেশবিদেশের মসজিদ-মাদ্রাসা এবং অন্যান্য কারণেও তারা এই টিভি চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে অনুদান সংগ্রহ করা হয়। রমজান মাসেতো সারা মাসব্যাপী বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে ডোনেশন হটলাইন খোলে বসে চ্যানেলগুলো। এবং রীতিমতো ব্রিটেনে এ রমজান মাস টিভি-মিডিয়ার জন্য চাঁদা তোলার মাস হিসেবেই খ্যাত।
ব্রিটেনের বাংলা টিভি চ্যানেলগুলোর যেহেতু সোর্স সীমিত কিংবা কমিউনিটি বিষয়ক খবরাখবরের প্লট সীমাবদ্ধ কিংবা তাদের সংবাদকর্মীদের স্বল্পতা, কিংবা দেশবিদেশের সর্বশেষ নিউজ প্রচার না করতে পারাসহ ভিন্ন ভিন্ন কারণে দর্শক আগের মত আর বাংলা টিভি চ্যানেলগুলো দেখছে না। তথ্যপ্রবাহে ইন্টারনেট সংশ্লিষ্টতা থাকায় বিভিন্ন মাধ্যম যুক্তরাষ্ট্রের বাংলা মিডিয়ার মত আইপি টিভির ধারণাটাও মানুষের মাঝে জনপ্রিয় হচ্ছে। বাংলাদেশের সকল টিভি চ্যানেলগুলোর সর্বশেষ নিউজ কিংবা বিনোদন অনুষ্ঠানগুলো দেখার সহজলভ্য সুযোগ থাকায় তাই অভিবাসীরা বাংলাদেশি টিভি নির্ভর হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়ভাবে প্রচারিত কিংবা প্রকাশিত বাংলা গণমাধ্যমের জনপ্রিয়তা ক্রমেই হ্রাস পেলেও সংবাদকর্মীদের সংখ্যা বাড়ছে এখানে। দেখা যায়, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব নামের একটা সংগঠনেই তিন শতাধিক সদস্য রয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন শহরেতো আরও প্রেসক্লাব আছে, আছে রিপোর্টার-সাংবাদিকদের অন্যান্য সংগঠন। কারণ যে কেউ ফেসবুকে একটা পেজ কিংবা ইউটিউব চ্যানেল খোলে টিভি নাম দিয়ে সংবাদকর্মী হিসেবে নিজেকে এই পরিচয়ের মধ্যে নিয়ে আসছেন। তাছাড়া হাতেগোনা এক-দুটো ছাড়া নামকাওয়াস্তে পোর্টালগুলোতো আছেই, যেগুলোতে ৯৯ শতাংশই দেশের খবরগুলো কপি করে বসিয়ে দেয়া হয়। তা-ও হালনাগাদ (আপডেট) করা হয় বাসি খবর দিয়েই।তথ্যপ্রবাহের অবাধ প্রবাহের সুযোগে ব্রিটেন থেকে প্রচারিত বাংলা গণমাধ্যম যদিও ক্রমেই জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে, তবে দেশের ঝড়-ঝঞ্ঝা, আর অস্থিতিশীল রাজনৈতিক-সামাজিক প্রেক্ষিত বিবেচনায় বাংলাদেশি মানুষের কাছে স্যোশাল মিডিয়া কিংবা বাংলাদেশের পোর্টালগুলো এবং বাংলাদেশি প্রিন্ট মিডিয়া (অনলাইন ভার্সন) কিংবা টিভি চ্যানেলগুলো আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ক্রমশ।
লেখক : বৃটেনপ্রবাসী কলামিস্ট।
এইচআর/এএসএম