ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার এলাকায় গাড়ির ধীরগতি কমলেও চাপ রয়েছে যানবাহনের। শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। রোববার (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার পর্যন্ত মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতুপূর্ব পর্যন্ত ধীরগতিতে চলাচল করে যানবাহন। এতে এ সড়ক দিয়ে ঘরমুখো মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। তবে সকাল ৯ টা থেকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হলে চাপ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহনের চাপ রয়েছে প্রচুর।
Advertisement
এদিকে যানজট নিরসনে কাজ করে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও দায়িত্ব পালন করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, অনেকে পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। প্রচণ্ড রোদে ট্রাক-পিকআপে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে শিশু, বৃদ্ধ, নারীদের গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে। গণপরিবহন সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে অনেকে খরচ বাঁচানোর জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক-পিকআপ করে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন।
যাত্রীরা বলেন, শেষ মুহূর্তে বাড়িতে ঈদ করার জন্য যাচ্ছি। গণপরিবহন না পেয়ে খোলা টাকে করে বাড়িতে যাচ্ছি।
Advertisement
এ ব্যাপারে যমুনা সেতুপূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ রুবেল বলেন, রাত ও সকাল পর্যন্ত সেতুর টোল আদায় ১২ বার বন্ধ ছিল। এতে মহাসড়কে থেমে থেমে যানজট ও ধীরগতির সৃষ্টি হয়েছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে যানবাহনের চাপ রয়েছে।
আব্দুল্লাহ আল নোমান/আরএইচ/এমএস