২০২৪ সালে অর্থাৎ গত বছর যুক্তরাজ্যে এক লাখ আট হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয়ের (অ্যাসাইলাম) আবেদন করেছেন। ২০০১ সালে রেকর্ড শুরু হওয়ার পরই এটাই সর্বোচ্চ পরিসংখ্যান। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সরকারি পরিসংখ্যানে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
Advertisement
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ৯১ হাজার ৮১১ জন আশ্রয়ের আবেদন করলেও গত বছর এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ আট হাজার ১৩৮ জনে।
২০০২ সালে দেশটিতে রেকর্ড এক লাখ তিন হাজার ৮১ জন আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন।
ইংলিশ চ্যানেল দিয়ে নৌকায় করে যুক্তরাজ্যে আসা অবৈধ অভিবাসীদের নাগরিকত্ব পাওয়া প্রায় অসম্ভব করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এই মাসে অভিবাসন নিয়ম কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এরপরই এই পরিসংখ্যান সামনে এসেছে।
Advertisement
গত সাধারণ নির্বাচনে নাইজেল ফ্যারেজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টি প্রায় চার মিলিয়ন ভোট পেয়েছে। এতে স্টারমারের লেবার সরকার অভিবাসন কমানোর জন্য চাপে রয়েছে।
যুক্তরাজ্যে আশ্রয় প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন করেছেন পাকিস্তানিরা। ১০ হাজার ৫৪২ পাকিস্তানি আবেদন করেছেন, যা মোট সংখ্যার ৯ দশমিক ৭ শতাংশ।
এই সময়ে পাঁচ হাজার ভিয়েতনামি আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, যা তার আগের বছরের দুই হাজার ৪৬৯ জনের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি।
দেশটির সীমান্ত নিরাপত্তা ও আশ্রয়মন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা ঈগল বলেন, সরকার আশ্রয় আবেদনের সিদ্ধান্ত দ্রুত করার জন্য কাজ করছে। তাছাড়া যাদের আবেদন মঞ্জুর করা হয়নি তাদের ফেরত পাঠানোর জন্যও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
স্বরাষ্ট্র দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের শেষে যুক্তরাজ্যে এক লাখ ২৪ হাজার আশ্রয় আবেদনের প্রাথমিক সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
গত বছর মোট আশ্রয় দাবির ৩২ শতাংশ ছিল ছোট নৌকায় করে চ্যানেল পার হয়ে যুক্তরাজ্যে আসা অবৈধ অভিবাসীদের।
সূত্র: এএফপি
এমএসএম